শনিবার   ১৪ মার্চ ২০২৬   ফাল্গুন ২৯ ১৪৩২   ২৫ রমজান ১৪৪৭

ভারতে বনধ্, দেশজুড়ে সহিংসতা

নিউজ ডেস্ক

আমাদের নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৬:৪৫ পিএম, ৮ জানুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার

ন্যূনতম মজুরি ও বেসরকারিকরণের প্রতিবাদসহ একাধিক ইস্যুতে ১৮টি বাম সংগঠনের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার ভারতে পালিত হচ্ছে বনধ্। এতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সহিংসতা। এর প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িষ্যা, কেরালা, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশসহ প্রায় সব রাজ্যেই। এছাড়া মিশ্র প্রভাব পড়েছে উত্তরপ্রদেশ ও মুম্বাইতে।

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, আসানসোল ও হুগলি জেলায় সহিংসতা দেখা গেছে। আসানসোলে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম শ্রমিকরা সহিংসতায় জড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, তার সরকার যেকোনো ধরনের বনধে্র বিরুদ্ধে। আমরা কোন ধরনের বনধে সমর্থন না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যথেষ্ঠ হয়েছে, আর না। গত ৩৪ বছরে তারা (বামদল) বনধে্র নামে রাজ্য ধ্বংস করেছে। সুতরাং আর কোনো বনধ্ হবে না।

 

কলকাতা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে বারাসাতে একটি স্কুলবাস ভাঙচুর করা হয়েছে। সে সময় বাসটিতে দু’জন শিক্ষার্থী ছিল। তবে সৌভাগ্যবশত তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি। এছাড়া আসানসোল ও হুগলিতেও বাস ভাঙচুর করা হয়েছে। অপরদিকে জাদবপুর, সোদেপুর, রিসরা ও উত্তরপারায় ট্রেন সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

ওড়িষ্যার ভুবনেশ্বরে শ্রমকল্যাণ সমিতি সিটিইউ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে এবং রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। কেরালার বিভিন্ন অংশেও ট্রেন সেবা ব্যহত হচ্ছে।

বেঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের গণপরিবহন ক্ষেত্রে এ বনধে্র প্রভাব পড়েছে বেশ ভালো রকমভাবেই। বিক্ষোভ সহিংসতার আশঙ্কায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শহর দু’টির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ।

কর্ণাটক জুড়েও সব ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে দেশজুড়ে দু’দিনের সাধারণ ধর্মঘট ডেকেছে বাম সমর্থিত ১৮টি শ্রমিক সংগঠন। সোমবার মধ্যরাত থেকেই কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বনধে্র প্রভাব পড়তে শুরু করে। মহীশূরের স্কুল-কলেজগুলোতে সোমবারই ছুটি ঘোষণা করা হয়। একই চিত্র দেখা গেছে ওড়িষ্যাতেও। সেখানেও মঙ্গলবার বন্ধ রয়েছে সব স্কুল-কলেজ।