বৃহস্পতিবার   ২৫ জুলাই ২০২৪   শ্রাবণ ৯ ১৪৩১   ১৮ মুহররম ১৪৪৬

যুক্তরাষ্ট্রে থাকতেই সিদ্ধান্ত জানতেন শেখ হাসিনা

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০২:৪৯ এএম, ২৭ মে ২০২৩ শনিবার

ব্লিঙ্কেন মোমেনকে চিঠি দেন ৩ মে

আজকাল রিপোর্ট
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দিলে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা দেবে না-এমন নীতি প্রণয়নের আগে সরকারকে গত ৩ মে জানিয়েছিল বাইডেন প্রশাসন। ওই সময় বিশ্বব্যাংকের সাথের বাংলাদেশের সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর উদযাপনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অর্থাৎ বাংলাদেশের সরকার প্রধানের ওয়াশিংটনে থাকা অবস্থায়ই যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে এ বার্তা দিয়েছিল।
কিন্তু প্রশ্ন- এ কথা সরকার এত দিন কেন জানাল না। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘তাদের নীতি আমরা জানাব কেন?’ গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন তাঁকে একটি ‘অপূর্ব’ চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সেই চিঠিতে তিনি নতুন ভিসা নীতির কথা জানিয়েছিলেন। সেখানে ব্লিঙ্কেন বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করতে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যারা বাধা দেবে তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যা চাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে তা জোরালোভাবে এসেছে। আওয়ামী লীগ সরকার এ দেশে সব সময় গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। গত ১৪ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলছে। দেশে হাজার হাজার নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার এসেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৮ সাল থেকে গণতান্ত্রিকভাবেই দেশ চলছে। যারা ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের এ দেশের মানুষ ক্ষমতায় রাখেনি। কদিন পরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। মোমেন বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণকে বিশ্বাস করে, জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমরা চাই, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। যুক্তরাষ্ট্র সরকারও তা-ই চায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই নীতি সরকারের ওপর বাড়তি চাপ না। তারা তাদের কাজ করেছে। আমরা আমাদের কাজ করব।