তালেবানদের চাকরি দেয়ার প্রস্তাব আমেরিকার
নিউজ ডেস্ক
আমাদের নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত : ০৮:১৫ পিএম, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮ শনিবার
যত দ্রুত সম্ভব আফগানিস্তানে যুদ্ধের ইতি টানতে চায় আমেরিকা। প্রতিষ্ঠা করতে চায় ‘শান্তি’। এ জন্য এরই মধ্যে শুরু করেছে শান্তি প্রক্রিয়া। এতে আমেরিকার সঙ্গে যোগ দিয়ে পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া ও বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশ।
কিন্তু নিজেদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ‘আফগান শান্তি প্রক্রিয়া’য় অংশ নিতে অস্বীকার করে আসছে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবান। আলোচনার টেবিলে আনতে এবার তালেবান যোদ্ধাদের নিরাপত্তা ও সেই সঙ্গে চাকরির নিশ্চয়তা দেয়ার প্রস্তাব করছে ওয়াশিংটন। ‘নতুন এক আফগানিস্তানে’ বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির সদস্যদের পুনর্বাসনের কথাও বলছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ। পেন্টাগনের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ খবর দিয়েছে ডন।
আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় তালেবানদের বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ জন্য একটি পরিকল্পনা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ সপ্তাহে ওই পরিকল্পনাটি কংগ্রেসে পাঠিয়েছে পেন্টাগন। তাতে বলা হয়েছে, যুদ্ধ অথবা অস্ত্র সমর্পণ নিয়ে অনেক তালেবান এখনও আতঙ্কে থাকতে পারেন। তবে তারা যদি মনে করেন তাদেরকে ও তাদের পরিবারকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি দেয়া হচ্ছে এবং যদি তাদের সংসার চালানোর মতো অর্থ উপার্জনের সুযোগ থাকে তাহলেই তারা সমাজের সঙ্গে মিশতে পারেন।
আফগান প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পেছাল : আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন তিন মাস পিছিয়েছে। আগামী বছরের এপ্রিলে হওয়ার কথা থাকলেও নতুন তারিখ অনুযায়ী জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে বা আগস্টের শুরুর দিকে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার দেশটির নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।
বিবিসি জানিয়েছে, অনেক ভালো প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে নির্বাচন পেছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। খবরে বলা হয়েছে, বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম চালুর কাজ সময়মতো শেষ করা সম্ভব না হওয়ায় নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আফগানিস্তানের স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র আবদুল আজিজ ইব্রাহিমি আজ (বুধবার) জানান, নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজনকে বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেমের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য আরও সময় প্রয়োজন।
এ পদ্ধতি নির্বাচনে জালিয়াতি ও প্রতারণা কমাতে সহায়তা করবে। এছাড়া ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করাও জরুরি। এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বায়োমেট্রিক সিস্টেম সম্পর্কে স্বল্পসংখ্যক কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার ফলে ভোট গ্রহণে অনেক বেশি দেরি হয়। এছাড়া অগণিত বৈধ ভোটার নিজেদের নাম তালিকায় খুঁজে পাননি। এর ফলে দ্বিতীয় দিনের মতো ভোটগ্রহণ করতে হয়। পাশাপাশি ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে কয়েকটি আইনগত অভিযোগ জমা পড়ে।
