জয় বাংলা-জিতবে এবার নৌকা: দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার গান
নিউজ ডেস্ক
আমাদের নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত : ০১:০৪ এএম, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮ বৃহস্পতিবার
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির ধারক আওয়ামী লীগের জন্য নৌকার জয়গান ( জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা ) নামক গানটি নিয়ে সাধারণ ভোটার বিশেষ করে তরুণদের মাঝে একধরনের উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামী লীগের সংগ্রামের ইতিহাস, বিগত দশ বছরের উন্নয়ন চিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন চিত্রকে উপজীব্য করে তৈরি করা এই গানটি এখন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে, শহর-বন্দরে ভোটারদের উজ্জীবিত করছে।
বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ‘জয় বাংলা-জিতবে এবার নৌকা’ শীর্ষক গানটি এরই মধ্যে দশ মিলিয়নেরও বেশি বার ইউটিউবে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি এরই মধ্যে অনেকেই গানটি ভালোবেসে তাদের মোবাইলে কলার টিউন হিসেবে ব্যবহার করছেন। এছাড়া সারা দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা নৌকার জয়গানটি নিয়ে ‘ফ্লাস মব’ করেছে যা এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সফলতার গল্প বলে চলা গানটি ইতোমধ্যে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে বলেও জানা গেছে।
গানটির বিষয়ে কলেজপড়ুয়া অতনু জোবায়ের বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, আমরা আওয়ামী লীগের সংগ্রাম দেখিনি। কিন্তু ‘জয় বাংলা-জিতবে এবার নৌকা’ গানের মাধ্যমে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সগর্বে এগিয়ে চলা বাংলাদেশকে দেখেছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার বিগত দশ বছরে দেশের জন্য যা করেছে, তা বিগত কোন সরকার করতে পারেনি। আজকে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সবই সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক শাসন দর্শনে। কোটি প্রাণে জায়গা করে নিয়েছে আওয়ামী লীগের এই গানটি। তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করে দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে বড় ভুমিকা পালন করবে হৃদয়ে দোলা দেয়া এই গানটি। গানটি যারা করেছেন, তাদেরকে বিশেষ ধন্যবাদ দিতে চাই। কতটা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হলো এমন গান লেখা যায়, সেটি কল্পনাতীত।
উল্লেখ্য, ‘জয় বাংলা-জিতবে এবার নৌকা’ শীর্ষক নৌকার জয়গানটির লেখা ও প্রযোজনায় ছিলেন তৌহিদ হোসেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন যৌথভাবে সরোয়ার ও জিএম আশরাফ। সঙ্গীতায়জনে ছিলেন, ডিজে তনু ও এলএমজি বিটস। সম্পাদনা ও কালার সমন্বয়ে ছিলেন হৃদয় হোসেন।
গানটি এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াসহ সব মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তৌহিদ হোসেন। গানটির সর্বগ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে তৌহিদ হোসেন বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে ভিন্ন কিছু একটা করার পরিকল্পনা মাথায় ঘুরছিলো। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই গানটি করেছি আমরা। তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে গানটি বড় ভুমিকা পালন করতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি। দেশের জন্য, উন্নয়নের পক্ষে ভালো কিছু একটা করতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। গানটি এরই মধ্যে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে গেছে। আসলে একটি গান দিয়ে বর্তমান সরকারের সব অর্জন তুলে ধরা সম্ভব নয়। এরপরও আমি চেষ্টা করেছি, সরকারের যত অর্জন, যত উন্নয়ন গানের মাধ্যমে তুলে ধরে দেশবাসীকে জানিয়ে দিতে। আমি বিশ্বাস করি এই গানটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের আরো বেশি প্রেরণা দিবে। ভবিষ্যতে আরো ভালো কিছু কাজ দেশ ও জাতিকে উপহার দিতে চাই। আশা করি দেশবাসী আমার সাথে থাকবেন এবং আমাকে সমর্থন দিয়ে যাবেন।
